ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

জাতীয়

বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে করারোপের দাবি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১:৩৮, এপ্রিল ২৯, ২০১৯
বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে করারোপের দাবি সংবাদ সম্মেলন, ছবি: বাংলানিউজ

রাজশাহী: আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব তামাকজাতপণ্যের ওপর উচ্চহারে করারোপের দাবি জানানো হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহীর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিশেন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্টের (এসিডি) সম্মেলন কক্ষে ‘কেমন তামাক-কর চাই’ শীর্ষক এ প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানান বক্তারা।

এ উপলক্ষে এসিডি’র আয়োজনে এবং ‘ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স-সিটিএফকে’ এর সহায়তায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সেখানে বক্তারা বলেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে সিগারেটসহ তামাকপণ্যের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। বাংলাদেশে এক প্যাকেট বেনসন (২০ শলাকা) সিগারেটের দাম ২২০ টাকা। অথচ তামাকের বহুজাতিক কোম্পানির দেশ যুক্তরাজ্যে এক প্যাকেট সিগারেটের মূল্য ১৮ পাউণ্ড বা প্রায় ২ হাজার টাকা। কাজেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও উচ্চহারে সব ধরনের তামাকপণ্যের দাম বাড়াতে হবে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদের সভাপতিত্বে এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- এসিডি’র নির্বাহী পরিচালক (ইডি) সালীমা সারোয়ার। এসিডি’র তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাহীনুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন, এসিডি’র মিডিয়া ম্যানেজার আমজাদ হোসেন শিমুল।  

এ সময় ‘এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক শরীফ সুমন, সদস্য ড. আইনুল হক, আহসান হাবীব অপু, পরিতোষ চৌধরী আদিত্যসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য তামাকপণ্যের কর বাড়ানো দাবিটি সরকারের দৃষ্টিগোচর করা। তামাকপণ্যের কর বাড়ানোর মাধ্যমে তামাককে নিরুৎসাহিতকরণের একটি স্ট্র্যাটিজি। এছাড়া জনসচেতনতা সৃষ্টিও আরেকটি স্ট্র্যাটিজি। কাজেই তামাকপণ্যের কর বাড়ানো ও জনসচেতনার মাধ্যমেই মূলত তামাকের ব্যবহার কমানো সম্ভব।
 
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে, দেশে অকাল মৃত্যুর মিছিল বন্ধে আগামী ২০১৯-২০ বাজেটে নিম্নোক্ত প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা ৪টি থেকে কমিয়ে ২টিতে (নিম্ন এবং উচ্চ) নিয়ে আসা। অর্থাৎ ৩৫ টাকা এবং ৪৮ টাকা এই দু’টি মূল্যস্তরকে একত্রিত করে একটি মূল্যস্তর (নিম্নস্তর) এবং ৭৫ টাকা ও ১০৫ টাকা মূল্যস্তরকে একত্রিত করে আরেকটি মূল্যস্তরে (উচ্চস্তর) নিয়ে আসা।  

এছাড়া ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ট্যারিফ ভ্যালু প্রথা বিলুপ্ত করা এবং সব তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য করতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২১২৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৮, ২০১৯
এসএস/ওএইচ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয় এর সর্বশেষ