রোববার (২৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিনমাস অডিটোরিয়ামে 'কনজেনিটাল হাইপোথাইরয়েডিজম শিশুর মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার একটি অন্যতম কারণ ' শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, আমরা শিশুদের সবল হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি।
ইয়াফেস ওসমান বলেন, কনজেনিটাল হাইপোথাইরয়েডিজম প্রকল্প নিয়মিত করা হবে। রাজস্ব খাতে চলে যাবে এ প্রকল্প।
‘আমি এটাকে চাকরি হিসেবে দেখি না। মানবতা বা পেশা হিসেবে দেখি। এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি বড় কাজ। আশাকরি তারাও এগিয়ে আসবে। কারণ এ প্রকল্পের কাজ শুরুতেই রোগ থামিয়ে দেওয়া। প্রতিবন্ধী শিশুকে একসময় অন্যায়ের ফল হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ জয় যেভাবে প্রতিবন্ধীদের টেনে তুলে নিয়ে এসেছেন, পুরো ধারণা পরিবর্তন হয়ে গেছে। শিশুদের সুস্থ সবল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প গ্রহণ করেছেন। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হবে। এসডিজির অন্যতম লক্ষ্য ভালো স্বাস্থ্য। একজন মানুষের প্রচুর অর্থ থাকলেই উন্নত জীবনযাপন করা সম্ভব হয় না।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ড. আনোয়ারুল আজিম, অধ্যাপক ইমতিয়াজ, অধ্যাপক ফওজিয়া প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. ছানোয়ার হোসেন।
বাংলাদেশ সময়: ১২৩৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৮, ২০১৯
টিএম/এএ