তারা বলেন, হামলাকারীদের কোনো ক্ষমা নেই, এদের কোনো ক্ষমা হতে পারে না।
সোমবার (৯ এপ্রিল) রাতে অনির্ধারিত আলোচনায় ইস্যুটি উত্থাপন করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজি।
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় সূচিত হয়েছে। ডাকসুর জিএস নির্বাচিত হয়ে মোনায়েম খানের বিরুদ্ধেও আমরা তীব্র আন্দোলন করেছি। কিন্তু উপাচার্যের গায়ে হাত দেওয়া, রাতের অন্ধকার বাড়িতে ভয়াবহভাবে হামলা-ভাঙচুর করার ঘটনা কখনো কোনো শিক্ষার্থী চিন্তাও করেনি। যেটি এবার হয়েছে। এই ঘটনা ঢাবির সব শিক্ষার্থীর জন্য কলঙ্কের ব্যাপার।
‘প্রতিবাদ করতে হলে মুখোশ পরতে হবে কেন? যারা ভণ্ড, প্রতারক, ষড়যন্ত্রকারী তারাই মুখোশ পরে। ইতর হওয়ার একটা সীমা আছে। মুখ দেখাতে এতো ভয় কীসের? যুদ্ধাপরাধী সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে অরাজকতা করে। তাদের আমি উপযুক্ত শাস্তি দাবি করি। এদের কোনো ক্ষমা নেই। এদের ক্ষমা করা সম্ভব না। হয় ওরা থাকবে, না হয় আমরা থাকবো। এই হোক আজকের প্রতিজ্ঞা। ’
তিনি বলেন, ফেসবুক, ইন্টারনেট ও সারা পৃথিবীকে মানুষের নাগালের মধ্যে আনার সুযোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। ফেসবুকে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বানিয়ে উসকানিদাতাকে অবশ্যই জাতির সামনে সঠিক জবাব দিতে হবে। আসলে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান গাত্রদাহই হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলছে, চলবে। রাজাকারের বাচ্চাদের অবশ্যই আমরা দেখে নেবো।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, দাবি সবার থাকতে পারে। দাবি যৌক্তক, অযৌক্তিক থাকতে পারে, দাবি আদায়ে কণ্ঠস্বর উচ্ছ্বসিত করা গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার- সেটির জন্য রাতের আঁধারে উপাচার্যের মতো একজন শিক্ষকের বাসায় হামলা। ছাত্র আন্দোলন বহু দেখেছি। কোনোদিন এ ধরনের নৈরাজ্য দেখিনি। আমরা আন্তরিকভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত।
ইমরান এইচ সরকারের নাম উল্লেখ না করে বলেন, হঠাৎ করে দেখলাম একজন ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়েছে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারীদের একজন মারা গেছে। সেই পোস্টটি ৩৫ মিনিট ধরে তার পেজে থাকলো। তারপর কথিত মৃত ব্যক্তি স্ট্যাটাস দিলেন আমি মরিনি। ছাত্রদের মাঝে এই মুখোশধারী ওরা কারা। আমি বিশ্বাস করি ছাত্রদের আন্দোলনের ভাষা কখনো এটা হতে পারে। সংহিস পথে আর যাই হোক দাবি আদায় করা যায় না।
বাংলাদেশ সময়: ২১২০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৯, ২০১৮
এসএম/এএ