সোমবার (৯ এপ্রিল) সকালে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গিয়ে দেখা যায়, সোনালী ব্যাংকের বুথের সামনে লম্বা লাইনে প্রায় ৫ শতাধিক যাত্রী ভ্রমণ কর পরিশোধের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।
সেখানে ব্যাংকের মাত্র দু’জন কর্মচারী যাত্রীদের ভ্রমণ করের রশিদ কাটছেন।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণে এ পথে দেশ-বিদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত দেশের অন্যান্য ইমিগ্রেশনের চাইতে একটু বেশি। এছাড়া পার্শ্ববর্তী এই দেশটির সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশিদের আত্মীয়তার সর্ম্পক্য। ফলে দিন দিন এপথে যাতায়াত বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার পর্যন্ত যাত্রী যাতায়াত করে এপথে। ৫ বছর থেকে শুরু করে সব যাত্রী প্রতি ৫শ টাকা হিসাবে সরকার প্রতি দিন ভ্রমণ কর বাবদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করছে। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রী প্রতি ৪২ টাকা হিসাবে প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকা ট্রাক্স আদায় করছে।
ইমিগ্রেশন ভবনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতগামী এক যাত্রী ফরিদপুরের প্রিতিকনা রাহা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘একঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও এখন পর্যন্ত ভ্রমণ করের রশিদ কাটতে পারেননি। আবার ওপারে গিয়ে তিনঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হবে। এখাতে সরকারের এতো টাকা আয়, কিন্তু দুর্ভোগ শুরু থেকেই। এর চেয়ে চোরাই পথে যেন যাওয়াই ভালো’।
এ ব্যাপরে বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার রফিকুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, ইমিগ্রেশন ভবনে সোনালী ব্যাংকের যে বুথ আছে সেটি আয়তন চাহিদায় তুলনায় খুব ছোট। এ কারণে ওই কক্ষে জনবল বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে তারা প্রয়োজণীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে ভ্রমণ কর ও বন্দর কর একই সঙ্গে পরিশোধের ব্যবস্থা করছেন।
খুব দ্রুত এ নিয়ম চালু হলে দুর্ভোগ থাকবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদশে সময়: ১৮২৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৯, ২০১৮
জিপি/