সোমবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এরআগে উপজেলার পশ্চিম চরকলাকোপা এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত কোহিনুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা এলাকার নুর করিমের মেয়ে এবং আটক দুলাল একই গ্রামের হেজু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোহিনুর গত ৭ এপ্রিল সকালে চরমনসা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে সে আর বাড়িতে ফিসেনি। খোঁজ নিয়ে স্বজনেরা জানতে পারে, তাকে মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে কথিত প্রেমিক দুলাল অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এদিকে রামগতির পশ্চিম চরকলাকোপা গ্রামে ফসলের জমিতে এক তরুণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহটি শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, দুলাল সহযোগীদের নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছে। পরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার পর মরদেহ খেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আরিছুল হক বাংলানিজকে বলেন, ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুলালকে চরমনসা গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৯, ২০১৮
এসআর/জিপি