সম্প্রতি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ও ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে নির্ধারিত টয়লেট ফি’র বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগে পাবলিক টয়লেটের ইজারাগ্রহীতাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেণ ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসমানী বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদুল হক শরীফ।
তিনি বাংলানিউজকে বলেন, বিমানবন্দরের পাবলিক টয়লেট ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ৫ টাকা ফি’র পরিবর্তে ১০ টাকা করে ফি আদায় করছেন ইজারাগ্রহীতা। তারা টয়লেটে প্রবেশ ফি ১০ টাকা লিখে দেওয়ালে টাঙিয়ে রেখেছেন, এতে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত ৫ টাকা ফি আদায় করা হচ্ছে।
তাই যাত্রী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। এই অভিযানে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়। এতে ইজারাগ্রহীতা মালিক পক্ষকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে দেয়াল থেকে টয়লেটে প্রবেশ ফি ১০ টাকা সংবলিত লিখিত নোটিশটি পরিবর্তন করে ৫ টাকা লিখে সাঁটানোর নির্দশনা হয়।
পরবর্তীতে একই অভিযোগ পাওয়া গেলে ইজারাদারের ইজারা বাতিলের ব্যবস্থাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে ইজারাদারকে সতর্ক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদুল হক শরীফ আরও বলেন, ওসমানী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তাই যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে আমাদের নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনার সময় এপিবিএন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যগণের সহায়তার জন্য তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানান তিনি।
অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন উপস্থিত যাত্রী ও আগত দর্শনার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই পাবলিক টয়লেটে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়টি তারা লক্ষ্য করছিলেন। বিষয়টি বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ করার পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
আরএ