আন্তর্জাতিক নৃত্যদিবস উপলক্ষে সোমবার (২৯ এপ্রিল) নগরীর শহীদ হাদিন পার্কে বৈশাখের সন্ধ্যায় শুরু হওয়া এ নৃত্য আয়োজন রূপসা পাড়ের মানুষগুলোর মনে ঠাঁই করে নেয় গভীর রাত পর্যন্ত।
জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা খুলনা জেলা শাখার আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে নৃতানুষ্ঠানের পূর্বে মহানগরীতে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর কবির ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কালচারাল অফিসার সুজিত কুমার সাহা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা খুলনার সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাচ্চু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নিত্য শিল্পী সংস্থা খুলনার সভাপতি মুস্তাক সেলিম পপলু।
বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা খুলনার সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাচ্চু বাংলানিউজকে বলেন, আমার নুপূরের ধ্বণী, ছড়াক মানবতার বাণী প্রতিপাদ্যে এবারের আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস। এ উপলক্ষে হাদিস পার্কের এ অনুষ্ঠানে প্রায় ১০টি নৃত্য সংগঠনের শিল্পীরা পাহাড়ী গান, জারি-সারি গান, অস্টক নাচ ও নৌকাবাইচের নাচসহ ৩০টি গানে ভিন্ন আঙ্গিকের নৃত্য পরিবেশন করেন।
তিনি আরও বলেন, নৃত্য হচ্ছে মানুষের মনোজাগতিক প্রকাশভঙ্গি। নৃত্য প্রদর্শনী দেখলে মানুষ তার যোগাযোগের বিভিন্ন আঙ্গিকের সঙ্গে পরিচিত হয়। কেননা নৃত্য এবং ভাষা কাজ করে একসূত্রে।
আয়োজনে নৃত্যশিল্পীদের শৈল্পিকতা আর বর্ণিল আলোর ঝলকানিতে মেতেছিলেন দর্শকরাও। কাতের এত বেশি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে যে, খুলনার সবথেকে বড় হাদিস পার্কের মাঠেও তিল ধারণের জায়গা ছিল না।
উল্লেখ্য, কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী জাঁ-জর্জ-নভেরার জন্মদিনকে স্মরণে রেখে প্রতি বছর ২৯ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক নৃত্যদিবস। ১৯৯২ সালে দিবসটি ইউনেসকোর স্বীকৃতি লাভ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে বিশ্ব নৃত্য দিবস পালিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশ সময়: ০২২৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩০, ২০১৯
এমআরএম/এইচএমএস