গাজা উপত্যকার প্রতিটি বেকারি অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছে। কারণ ময়দা ও জ্বালানি সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
গাজা বেকারি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবদেল নাসের আল-আজরামি অনুযায়ী, গাজায় বেকারিগুলোর বন্ধ থাকার মানে হলো বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে (ডব্লিউএফপি) অংশ নেওয়া সব বেকারির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া।
বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি চলমান ক্ষুধাযুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করেছেন আল-আজরামি। মঙ্গলবার দক্ষিণ গাজার বেকারিগুলো তাদের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার) থেকে কেন্দ্রীয় ও উত্তর গাজার বেকারিগুলোও একইভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আল-আজরামি বলছেন, বেকারি বন্ধ হওয়ার পেছনে রয়েছে ইসরায়েলের চলমান অবরোধ, যার ফলে শুধু ময়দা ও জ্বালানি নয়, ইস্টেরও ব্যাপক ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি গাজার মানবেতর জীবনযাত্রাকে আরও খারাপ করছে। উপত্যকাটি এরইমধ্যে ধারাবাহিক ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সেখানে এখন বাসিন্দারা রান্নার গ্যাসের অভাবেও ভুগছেন।
গাজা উপত্যকায় সাধারণত প্রতিদিন ৪৫০ টন আটা ব্যবহার করা হয়, বেকারিগুলো প্রায় ৫০ শতাংশ গাজাবাসীর চাহিদা পূরণ করে। ওই অঞ্চলে ১৪০টি কার্যকর বেকারি রয়েছে, এর মধ্যে ৭০টি স্বয়ংক্রিয়। ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে এসব বেকারির একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে উত্তর গাজায়, যার ফলে কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০২, ২০২৫
এমএইচডি/আরএইচ