ঢাকা, শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিক্ষা

‘পেছানোর সুযোগ নেই, ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১২৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩, ২০২৫
‘পেছানোর সুযোগ নেই, ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা’

ঢাকা: আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয় শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বক্তব্য স্পষ্ট করল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা।

 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিক্ষার্থীদের এ দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক মনে করেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

এরই মধ্যে জুন মাসের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।  

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্ত শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার‌ গণমাধ্যমকে বলেন, এরই মধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ।

এ মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনোটারই যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার‌ বলেন, ‘আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। সব পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এসব গুজবে কান দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, ১০ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে সে ঘোষণা আরো ৮-৯ মাস আগে দেওয়া হয়। সে মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি গ্রহণ করে। পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগে পরীক্ষার পেছানোর দাবি শুধু অযৌক্তিক নয়, এটা পরীক্ষা বানচালেরও ষড়যন্ত্র।

তারা আরো বলেন, দেশে বড় ধরনের কোনো দুর্যোগ বা অস্থিরতা তৈরি না হলে সাধারণত পরীক্ষার পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে পরীক্ষা পেছানোসহ দুই দফা দাবি তুলে ধরেন একদল শিক্ষার্থী। তাদের দাবিগুলো হলো পরীক্ষা এক মাস পেছানো এবং সব পরীক্ষায় ৩ থেকে ৪ দিন বন্ধ দেওয়া। তারা দাবির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ সময়: ২১২৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩, ২০২৫
জেএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।