ঢাকা, শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

জাতীয়

ঈদের চতুর্থ দিনেও চিড়িয়াখানায় ভিড় দর্শনার্থীর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭১৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩, ২০২৫
ঈদের চতুর্থ দিনেও চিড়িয়াখানায় ভিড় দর্শনার্থীর

ঢাকা: ব্যস্ততম এই শহরের রাজধানীবাসী ঈদের ছুটিতে পরিবার ও বাচ্চাদের নিয়ে প্রকৃতির মাঝে ঘুরতে আসেন জাতীয় চিড়িয়াখানা। ঈদুল ফিতরের চতুর্থ দিনেও চিড়িয়াখানায় ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঈদের প্রথম তিন দিনের মতন চিড়িয়াখানায় ভিড় দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্থায়ী টিকিট কাউন্টার থাকলেও ঈদের কয়েকদিনের ভিড় সামলাতে বাড়তি কাউন্টার খোলা হয়েছে। তবু লোকজনকে টিকিট পেতে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। চিড়িয়াখানায় প্রবেশের প্রথমে রাস্তায় ভোগান্তি পরতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। তারপর চিড়িয়াখানার সামনের চত্বরে হকারদের জটলা ও টিকিট কাউন্টারের লম্বা লাইন অনেক দর্শনার্থীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার অভ্যন্তরীণ শিশু পার্কে স্লিপার, রেলগাড়ির রাইডারের সামনে শিশু ও অভিভাবকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

বিমানবন্দর হাজী ক্যাম্প থেকে মো. আনিসুর রহমান মাদ্রাসায় পড়ুয়া দুই ছেলেকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছে। তিনি বলেন, ঈদের প্রথম তিন দিনে চিড়িয়াখানায় আসিনি। আমি জানি ঈদে প্রথম তিন দিন অনেক ভিড় হয়। কিন্তু আজকে (বৃহস্পতিবার) এসে দেখছি ভিড়। বাচ্চাদের মূলত বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ ও জলহস্তী দেখাতে নিয়ে এসেছি।

পুরান ঢাকা এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মো. মানিক বলেন, ভিড়ের বিষয় জানলে ঈদের ছুটি শেষে চিড়িয়াখানায় আসতাম। বাচ্চাদের এখানে জীবজন্তু দেখাবো। জীবজন্তু ওরা জীবন তো দেখে অনেক আনন্দ পাবে।  

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বাংলানিউজকে বলেন, ঈদের দিন ৭০ হাজারের একটু বেশি এবং দ্বিতীয় দিন এক লাখ ৭০ হাজার, তৃতীয় দিনে এক লাখ ৫০ হাজারের কাছাকাছি দর্শনার্থী এসেছেন চিড়িয়াখানায়। আমরা ধারণা করছি আজ (বৃহস্পতিবার) প্রায় ৯০ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করেছেন।

চিড়িয়াখানা সংলগ্ন সড়কে অবৈধভাবে বিভিন্ন পরিবহন পার্কিং করে রাখায় চিড়িয়াখানায় প্রবাসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। এ বিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় জানতে চাইলে পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, আসলে চিড়িয়াখানার সামনের সড়কটি আমাদের আওতায় নেই। এ বিষয়ে আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ, র‍্যাব ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম ছাড়া আমরা কিছু করতে পারছি না এ বিষয়ে।

তিনি বলেন, এবার দর্শনার্থীদের চাপ বেশি, পাশাপাশি গরমটাও একটু বেশি। সেজন্য প্রত্যেক খাঁচায় আমরা পানির ব্যবস্থা করে রেখেছি। দর্শনার্থীদের জন্যও কয়েক জায়গায় খাওয়ার পানি এবং হাতমুখ ধোয়ার ব্যবস্থা রেখেছি।   

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৩, ২০২৫
এমএমআই/এমএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।