‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের জন্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মাঠ কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, অন্যথায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) উপজেলা, থানা, সমমান ইলেকশন অফিসার্স আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অনুষ্ঠিত উপজেলা ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে জন্য পৃথক সার্ভিস গঠনের দাবি উত্থাপন করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করে নির্বাচন কমিশন সার্ভিস গঠন করতে হবে।
নেতারা বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুস্পষ্ট ও সুপারিশ এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন সার্ভিস গঠনের বিষয়টি বিলম্বিত হওয়ায় বক্তারা নিন্দা জ্ঞাপন করেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন সার্ভিস গঠনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও সুসংহত করা ব্যতিরেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ কোনো নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়।
ইইউডি/এমজে