ঢাকা, রবিবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

জাতীয়

‘রোজায় ভোগ্যপণ্যে ভেজাল-দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০:৫৫, মে ১, ২০১৯
‘রোজায় ভোগ্যপণ্যে ভেজাল-দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা’ বক্তব্য রাখছেন সিসিকের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: বাংলানিউজ

সিলেট: রোজায় ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ালে ও ভেজাল পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চরণ করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রোজায় ফরমালিন মিশ্রিত ফলমূল বিক্রি না করা, খাদ্যে ভেজালরোধ ও দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে। কোনোভাবেই খোলা অবস্থায়, সড়কের পাশে ইফতার সামগ্রীর পসরা বসানো যাবে না।

এছাড়া অসুস্থ গরু-ছাগলের মাংস বিক্রি না করা ও নির্ধারিত মূল্যে ভেজালমুক্ত মাংস বিক্রি করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ালে কিংবা পণ্যে ফরমালিন মেশালে ভ্রাম্যমাণআদালত পরিচালনার মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

রোজায় খাদ্যে ভেজালরোধ ও দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী, প্রশাসন ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বৈঠকের আয়োজন করে সিসিক।

সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র আরও বলেন, আত্মশুদ্ধির মাস হলো ‘মাহে রমজান’। এই মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা ব্যবসায়ীদের নৈতিক দায়িত্ব।

সভায় সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, রমজান মাসে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ছিনতাই প্রতিরোধ যানজট নিরসন রাস্তায় যত্রতত্রভাবে যানবাহন না রাখতে পুলিশ বিভাগ, র‌্যাব ও ট্রাফিক বিভাগকে এবং সেহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়ে সাইরেন বাজানো ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সকে অনুরোধ জানান।

নগরীর প্রতিটি এলাকায় পানি সরবরাহ নিশ্চিতের লক্ষ্যে একটি মনিটরিং শেল গঠনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখলে পানির সমস্যা তেমন একটা থাকবে না।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের সমস্যার কারণেই পানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এছাড়া তিনি তারাবীহ, সেহেরি ও ইফতারের সময় বিদ্যুতের লোডশেডিং যাতে না হয় এবং কোথাও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার নষ্ট হলে তা পুনঃস্থপনের পূর্ব  প্রস্তুতি রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগকে অনুরোধ জানান।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিসিকের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েছ লৌদী, মখলিছুর রহমান কামরান, রকিবুল ইসলাম ঝলক,মহিলা কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, নাজনীন আক্তার কনা, মাসুদা সুলতানা, সিসিকের সচিব মোহাম্মদ বদরুল হক, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিপুল কুমার, এসএমপি পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. ইসমাইল, র‌্যাব-৯ এর ডিএডি মো. নূরুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের ফিল্ড কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী, পিডিবির সহকারী প্রকৌশলী মো. জমির আলী, ইমাম সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন,অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হক, আল হামরা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান রিপন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান, বাজার আদায়কারী সুশেন দে প্রমুখ।

 বাংলাদেশ সময়: ২০৩৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩০, ২০১৯
এনইউ/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।