ঢাকা, রবিবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

জাতীয়

‘অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ’

বাংলানিউজ টিম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০:১২, মে ১, ২০১৯
‘অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ’

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সদস্য বেনজীর আহমদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা জানান।  

এর আগে সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

পড়ুন>> পরবর্তী আদমশুমারি ২০২১ সালে
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, কোনো ব্যক্তি/গোষ্ঠী/দল যাতে গুজব/বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বা সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মদদদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।  

‘এছাড়া সিআইডিতে নবগঠিত সাইবার পুলিশ সেন্টার অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করছে ও সাইবার অপরাধীদের গ্রেফতার করছে। পাশাপাশি প্রত্যেক মেট্টোপলিটন ইউনিট ও জেলা পুলিশে নিজস্ব সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ টিম গঠন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় সারা দেশ হতে সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ ও স্যোশাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে চলমান রয়েছে। ’
 
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন রোধে সুরক্ষা বিভাগ কর্তৃক ইতোমধ্যে অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে; যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনুমোদিত। এই অ্যাকশন প্ল্যান অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা/উপজেলাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।  

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহীদ ইসলামের প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) বাহকের সব তথ্য অধিদফতরের ডাটা সেন্টারে সংরক্ষিত রয়েছে। তাছাড়া ই-পাসপোর্ট প্রণয়নের লক্ষ্যে ডাটা সেন্টারটি আরও অত্যাধুনিক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে পাসপোর্ট তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, উত্তরায় পাসপোর্ট তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকায় অবস্থিত ডাটা সেন্টারের অনুরূপ যশোরে একটি ডিজেস্টার রিকভারি সেন্টার রয়েছে; যা পাসপোর্টের ডাটা সেন্টারের ব্যাকআপ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডিজেস্টার রিকভারি সেন্টারকে আরও অত্যাধুনিক করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 
আওয়ামী লীগের আরেক সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সংশ্লিস্ট জেলা/ইউনিট হতে প্রাপ্ত ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত জনবলের মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কর্মরত পুলিশের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২৪জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৩৩ জন এবং মহিলা ১৩ হাজার ৩৯১জন। পুরুষ ও মহিলার সংখ্যানুপাত ১৩ঃ০৯।

বাংলাদেশ সময়: ২০০৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩০, ২০১৯ 
এসকে/আরএম/এমএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।