ফিলিপাইনের ম্যানিলাতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ সরকারের ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম নিয়ে তথ্যবহুল বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. তরিকুল ইসলাম এবং ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মেজর মো. নাইম মোর্শেদ রুম্মান।
প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ বলেন, যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সংরক্ষণে এবং তাদের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার একটি উদাহরণ হলো ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। বর্তমানে বিদেশস্থ ৬০টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ৬১তম মিশন হিসেবে আজ ফিলিপাইনের ম্যানিলাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সিস্টেম চালু হলো। এই ই-পাসপোর্ট-এর মেয়াদ ১০ বছর। এই ই-পাসপোর্ট-এর ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট প্রাপ্তি সেবা আরো বেগবান ও সহজতর হবে এবং কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হবে।
এ ছাড়া এই ই-পাসপোর্ট অত্যাধুনিক এবং এতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট রিডার। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, ই-গেট ব্যবহার করে একজন ই-পাসপোর্টধারী এয়ারপোর্টে দ্রুত ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। ই-পাসপোর্ট সিস্টেমের সঙ্গে ইকাও-এর ডাটাবেজ সন্নিবেশিত রয়েছে বিধায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টধারীরা ইকাও-এর অন্যান্য সদস্য দেশসমূহে অবস্থিত ই-গেটের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা তাদের বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট সেবা হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং একইসঙ্গে তারা বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এরপর প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হয়।
টিআর/আরবি